[3/28, 11:01 PM] +91 91630 28153: বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ ধন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্নেহধন্য প্রার্থী বিভাস সরদারের সমর্থনে কৃষক ও ক্ষেত মজুর সমাবেশ বারুইপুরে….

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষক ও ক্ষেত মজুর সংগঠনের ডাকে উত্তর ভাগ তাপসী মালিক মঞ্চ এলাকায় বারুইপুর পূর্ব বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ ধন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্নেহধন্য প্রার্থী বিভাস সরদারের সমর্থনে কৃষক ও ক্ষেত মজুর সংগঠনের
সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।আর এই
কৃষক ও ক্ষেত মজুর সংগঠনের
সম্মেলনের মাধ্যমে বিদায়ী বিধায়ক তথা বারুইপুর পূর্বের পুনরায় নির্বাচিত মনোনীত তৃনমুল কংগ্রেসের প্রার্থী বিভাস সরদার সিপিআইএম, বিজেপির পাটির বিরুদ্ধে ভিন্ন বিস্ফোরণ মন্তব্য করেন। মঞ্চে থেকে একের পর এক বিজেপি ও সিপিএমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন। বাংলার একাধিক প্রকল্প টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্রের সরকার । তার সাথে অসহায় মানুষের যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার জন্য যে প্রকল্পটি ছিল সেটিও সম্পূর্ণভাবে বাংলায় বঞ্চিত করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার অসহায় মানুষের প্রাপ্ত জব কাডের টাকা সহ বাংলার আবাস যোজনার টাকা নিয়ে সাধারণ মানুষের দুরনীতি করেছেন কিন্তূ বাংলার সাধারণ মানুষের কথা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিন্তা করেছেন। এমন কি তিনি তার নিজ কোষাধ্যক্ষর থেকে এই সমস্থ টাকা দিয়েছেন। কেন্দ্রের হিটলার সরকার সাধারন মানুষের কথা ভাবেনা তারা কেবল বড়ো বড়ো বাতালা দিতে পারে। যেমন কেন্দ্রের সরকার বলেছিল লকডাউন সময় কালো টাকা উদ্ধারের সময় বলেছিলেন প্রত্যেকের ব্যাঙ্কের একাউন্টে ১৫হাজার দেব কিন্তূ আজ পর্যন্ত কাউকে এক টাকা দেয়নি। আবার বলেছিল বছবে দুই হাজার ছেলে মেয়েদের চাকরির দেব কিন্তু আজপর্যন্ত দুই জন কে চাকরীদিতে পারেনি। তবে আমি নিশ্চিত বলতে পারি কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ মানুষ কে বিভিন্ন সময় রাস্থায় দাঁড় করিয়েছে, যেমন লক ডাউনে কালোটাকা উদ্ধারের সময় মানুষকে হেরেস্থা করেছেন, চাকরী নামকরে হেনেস্থা করেছেন। গ্যাসের জন্য সাধারণ মানুষ কে হেনেস্থা করছেন। কিন্তু মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কথা বলে ঠিক সেই কথা মত কাজ করে। তিনি জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন উন্নয়ন মুখী প্রকল্প করেছেন কিন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এই রকম উন্নয়ন মূলক প্রকল্প করতে পারেনি। ২৬ শে বিধানসভা ভোটের পর বিজেপির বিসর্জন জনগণ দেবে।বারুইপুর পূর্ব কিষান খেত মজুর সংগঠনের সভাপতি আব্দুল হামিদ মোল্লা সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে বলেন-
আজ কৃষক ও ক্ষেত মজুর সংগঠনের সমাবেশে আমরা পূর্ণাঙ্গ সাফল্য।কারণ কৃষক সংগঠন কৃষক পরিবার সব সময়ের জন্য আমরা আমাদের বিধায়ক বিভাস সর্দারের সঙ্গে আছি। সরকারের সাথে আছি।
কৃষকের উদ্দেশ্যে আমরা এই বার্তা দিই যে সাম্প্রদায়িক শক্তি নিপাত যাক বিজেপি সরকার ভারতবর্ষ থেকে নিপাত যাক। আর বিজেপি সরকার আগামী দিন যাতে ক্ষমতায় না আসে তার জন্য আমরা প্রস্তুত নিচ্ছি । সরকারের কাছে আমরা পেয়েছি কিষান খেত মজুরের যে কিষান credit কার্ড এর মাধ্যমে সাহায্য পেয়েছি।আমরা ভূমিহীন কৃষকদের যাহা আগে ছিল না বর্তমানে যাদের জমি নেই।সেই জমি অন্যের জমিতে যারা খেত মজুরের কাজ করে পরিশ্রম করে তাদের সরকার স্বপ্নে ভাবতে পারেনি যে তাদেরও একটা ভাতার ব্যবস্থা করবেন যেহেতু ভূমিহীন কৃষকদের ভাতার ব্যবস্থা করেছেন আমাদের সরকার।আমরা আনন্দিত এবং খুশি আমরা আগামী দিন আরো সরকারের পাশে থেকে সাফল্য লাভ করবো।
পূর্ণেন্দু বসু কৃষক ও ক্ষেত মজুর সংগঠনের সভাপতি বলেন
আপনাদের কাছে যেটা বলতে চাই সেটা হচ্ছে যে নির্বাচন একদম সামনে। আপনারা আপনাদের সকলের কাছে আমার নিবেদন যে আপনারা এবারের নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে ভোট দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে জয়ী করুন।
তিনি কথা বলতে গিয়ে বলেন ভারতবর্ষে বহু জায়গায় আমি গেছি কিন্তু এরকম একজন মুখ্যমন্ত্রী আমি গোটা ভারতবর্ষে কোথাও দেখিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন একজন মানুষ তিনি কাউকেই আলাদা করে রাখেন না। তিনি সব সময় চেষ্টা করেন সবাইকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে। আজকে ধরুন হিন্দু, মুসলমান, শিখ, ইসাই এরকম নানা রকম ভাবে যে ভাগ করার চেষ্টা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেটা রুখে দিয়েছে। তিনি বলছেন যে বাংলায় কোনো ভাগ হবে না। নরেন্দ্র মোদী যেখানে কিছু ভাগ করুক এই বাংলায় আমরা ভাগ হতে দেবো না। এই জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমরা শ্রদ্ধা জানাই।কৃষকদের এর আগে কেউ বন্ধু বলেনি। আমাদের এই কৃষক সমাজকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে, প্রাধান্য দিয়ে তাদের মর্যাদা দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাইতো কৃষকদের বন্ধু আখ্যা দিয়েছে বন্ধু হচ্ছে সব থেকে কাছের মানুষ এখানকার সমস্ত মানুষকে তিনি কাছের মানুষ বলে পরিচয় দিয়েছে এটাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান শুধু তাই নয় কৃষক পরিবারের যদি কেউ ঊনিশ থেকে আটান্ন বছরের মধ্যে মারা যায় তাদের জন্য কৃষক বন্ধু প্রকল্প যে প্রকল্পে একজন কৃষকের পরিবারকে দু লক্ষ টাকা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়।গোটা ভারতবর্ষে আজকে যে সরকার চালাচ্ছে যারা তারা যেভাবে কৃষকদের অপমান করছে শুধু অপমান না তাদের জন্য কিছুই করছে না এবং মিথ্যে কথা বলছে আমাদের তাদের বিরুদ্ধে লড়াই।এটা চাই সবাই মিলে আসুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে আবার জয়লাভ করিয়ে চতুর্থ বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করি এটাই আমাদের আজকের শপথ।
।এই কৃষক ও ক্ষেত মজুর সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক তথা এবারের মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের সনামধন্য ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর স্নেহধন্য প্রার্থী বিভাস সরদার, খাকুরদহ অঞ্চলের দুই বারের উপপ্রধান ফারুক হোসেন হালদার,বারুইপুর ব্লকসমিতির সহ সভাপতি শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী, পূর্ণেন্দু বসু কৃষক ও ক্ষেত মজুর সংগঠনের রাজ্যের সভাপতি, দক্ষিণ ২৪পরগনা জেলার কৃষক ও ক্ষেত মজুর সংগঠনের সভাপতি মানস দাস,
,বারুইপুর পূর্ব কিষান খেত মজুর সংগঠনের সভাপতি আব্দুল হামিদ মোল্লা,প্রশান্ত নস্কর, ওবাইদুল্লা শেখ,সনাতন মন্ডল, ধোষা চন্দনেশ্বর অঞ্চলের কৃষক ও ক্ষেত মজুর সংগঠনের সভাপতি নাজির শেখ,জাঙ্গালিয়া অঞ্চলের কৃষক ও ক্ষেত মজুর সভাপতি সাহাবুদ্দিন শেখ,
বামনগাছি অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতি আবুতালেব সরদার, বারুইপুর পূর্ব বিধান সভার সমস্থ অঞ্চলের যুবসভাপতি এবং সমস্থ অঞ্চলের প্রধান ও উপপ্রধান, অঞ্চল সভাপতি, সদস্য সদস্যা,
, রবিউল বৈদ্য,চয়ন, সহ বিশিষ্ট নেতা ও নেতৃত্বেরা