জয়নগর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ ধন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্নেহধন্য প্রার্থী বিশিষ্ট শিক্ষক বিশ্বনাথ দাসের সমর্থনে দক্ষিণ বারাসত অঞ্চলে জনযোয়ার জয়নগরে….

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জয়নগর বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের জয়নগর একনম্বর ব্লকের তৃনমুল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তুহিন বিশ্বাস,তৃনমুল কংগ্রেসের যুবসভাপতি সাম্মিম আহমেদ ঢালীর ও দক্ষিণ বারাসত অঞ্চলের প্রধান উপপ্রধান তৃনমুল কংগ্রেসের নেতা নেতৃত্বের সহযোগিতায় জয়নগর বিধান সভার বিদায়ী বিধায়ক তথা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশীর্বাদ ধন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বনাম ধন্য প্রার্থী বিশিষ্ট শিক্ষক বিশ্বনাথ দাসের সমর্থনের দক্ষিণ বারাসত অঞ্চলের বাংলার মোড় থেকে দক্ষিণ বারাসত পর্যন্ত পথসভা জনযোয়ার।আর এই পথ সভা জনযোয়ার
সম্মেলনের মাধ্যমে বিদায়ী বিধায়ক তথা জয়নগর বিধান সভার পুনরায় নির্বাচিত মনোনীত তৃনমুল কংগ্রেসের প্রার্থী বিশ্বনাথ দাস সিপিআইএম, বিজেপির পাটির বিরুদ্ধে ভিন্ন বিস্ফোরণ মন্তব্য করেন।দলীয় কর্মীদের সাথে নির্বাচনী প্রচার অভিযানে নেমে জয়নগর বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বিশ্বনাথ দাস বলেন, তার বিধানসভা এলাকায় বারোটি পঞ্চায়েত এবং একটি পৌরসভা এলাকার মানুষ সর্বক্ষণ তার পাশে আছে। কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী কার্যকলাপের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসকে আবার দেখতে চায়।বাংলার একাধিক প্রকল্প টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্রের সরকার ।
তার সাথে অসহায় মানুষের যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার জন্য যে প্রকল্পটি ছিল সেটিও সম্পূর্ণভাবে বাংলায় বঞ্চিত করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার অসহায় মানুষের প্রাপ্ত জব কাডের টাকা সহ বাংলার আবাস যোজনার টাকা নিয়ে সাধারণ মানুষের দুরনীতি করেছেন কিন্তূ বাংলার সাধারণ মানুষের কথা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিন্তা করেছেন। এমন কি তিনি তার নিজ কোষাধ্যক্ষর থেকে এই সমস্থ টাকা দিয়েছেন। কেন্দ্রের হিটলার সরকার সাধারন মানুষের কথা ভাবেনা তারা কেবল বড়ো বড়ো বাতালা দিতে পারে। যেমন কেন্দ্রের সরকার বলেছিল লকডাউন সময় কালো টাকা উদ্ধারের সময় বলেছিলেন প্রত্যেকের ব্যাঙ্কের একাউন্টে ১৫হাজার দেব কিন্তূ আজ পর্যন্ত কাউকে এক টাকা দেয়নি। আবার বলেছিল বছবে দুই হাজার ছেলে মেয়েদের চাকরির দেব কিন্তু আজপর্যন্ত দুই জন কে চাকরীদিতে পারেনি। তবে আমি নিশ্চিত বলতে পারি কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ মানুষ কে বিভিন্ন সময় রাস্থায় দাঁড় করিয়েছে, যেমন লক ডাউনে কালোটাকা উদ্ধারের সময় মানুষকে হেরেস্থা করেছেন, চাকরী নামকরে হেনেস্থা করেছেন। গ্যাসের জন্য সাধারণ মানুষ কে হেনেস্থা করছেন। কিন্তু মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কথা বলে ঠিক সেই কথা মত কাজ করে। তিনি জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন উন্নয়ন মুখী প্রকল্প করেছেন কিন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এই রকম উন্নয়ন মূলক প্রকল্প করতে পারেনি। ২৬ শে বিধানসভা ভোটের পর বিজেপির বিসর্জন জনগণ দেবে।আজ বাংলার মোড় থেকে দক্ষিণ বারাসত পর্যন্ত প্রতিটি মোড়ের মাথায় ছোট,বড়, বৃদ্ধা বয়সের মানুষ জন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ ধন্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বেহধন্য জয়নগর বিধান সভার তৃতীয় বারের জন্য মনোনীত প্রার্থী বিশিষ্ট শিক্ষক বিশ্বনাথ দাসের সাধারণ মানুষ আবার বিশ্বনাথ দাসকে প্রার্থী পেয়ে তাকে ফুলের মালা মুখে মিষ্টি তুলে দিয়ে আনন্দের সহিত সংবর্ধনা জ্ঞাপন জানান।আজ এই পথসভায় মহিলাদের সংখ্যা চোখে পড়ার মতো। এইপথ সভায় কয়েক হাজার মানুষের জনযোয়ার লক্ষ্য পাওয়াগেছে। জয়নগর থানার আইসির নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনীর ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহযোগিতায় সুষ্টভাবে এই পথসভা অনুষ্টিত হয়েছে।জয়নগর এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমির কর্মধক্ষ্য আব্দুল শুকুর আলি মোল্লা সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে বলেন-আজ দক্ষিণ বারাসত অঞ্চলে বিশিষ্ট শিক্ষক বিশ্বনাথ দাসের সমর্থনের যে পথ সভা অনুষ্টিত হল এই জনযোয়ার ইতিহাস স্বাক্ষী রাখবে দক্ষিণ বারাসত অঞ্চল কে।কয়েক হাজার মানুষ এই জনযোয়ারে পথসভায় পা মিলিয়ে ছিল। এই জন সভায় মহিলাদের জমায়েত চোখে পড়ার মতো।আমরা সব সময়ের জন্য আমাদের বিধায়ক বিশিষ্ট শিক্ষক বিশ্বনাথ দাসের সঙ্গে আছি। সরকারের সাথে আছি। আমাদের উদ্দেশ্য আমরা এই বার্তা দিই যে সাম্প্রদায়িক শক্তি নিপাত যাক বিজেপি সরকার ভারতবর্ষ থেকে নিপাত যাক। আর বিজেপি সরকার আগামী দিন যাতে ক্ষমতায় না আসে তার জন্য আমরা প্রস্তুত নিচ্ছি । সরকারের কাছে আমরা পেয়েছি কিষান খেত মজুরের যে কিষান credit কার্ড এর মাধ্যমে সাহায্য পেয়েছি।আমরা ভূমিহীন কৃষকদের যাহা আগে ছিল না বর্তমানে যাদের জমি নেই।সেই জমি অন্যের জমিতে যারা খেত মজুরের কাজ করে পরিশ্রম করে তাদের সরকার স্বপ্নে ভাবতে পারেনি যে তাদেরও একটা ভাতার ব্যবস্থা করবেন যেহেতু ভূমিহীন কৃষকদের ভাতার ব্যবস্থা করেছেন আমাদের সরকার।আমরা আনন্দিত এবং খুশি আমরা আগামী দিন আরো সরকারের পাশে থেকে সাফল্য লাভ করবো।আপনাদের কাছে যেটা বলতে চাই সেটা হচ্ছে যে নির্বাচন একদম সামনে। আপনারা আপনাদের সকলের কাছে আমার নিবেদন যে আপনারা এবারের নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে ভোট দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে জয়ী করুন।তিনি কথা বলতে গিয়ে বলেন এরকম একজন মুখ্যমন্ত্রী আমি গোটা ভারতবর্ষে কোথাও দেখিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন একজন মানুষ তিনি কাউকেই আলাদা করে রাখেন না। তিনি সব সময় চেষ্টা করেন সবাইকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে। আজকে ধরুন হিন্দু, মুসলমান, শিখ, ইসাই এরকম নানা রকম ভাবে যে ভাগ করার চেষ্টা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেটা রুখে দিয়েছে। তিনি বলছেন যে বাংলায় কোনো ভাগ হবে না। নরেন্দ্র মোদী যেখানে কিছু ভাগ করুক এই বাংলায় আমরা ভাগ হতে দেবো না। এই জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমরা শ্রদ্ধা জানাই।কৃষকদের এর আগে কেউ বন্ধু বলেনি। আমাদের এই কৃষক সমাজকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে, প্রাধান্য দিয়ে তাদের মর্যাদা দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাইতো কৃষকদের বন্ধু আখ্যা দিয়েছে।বন্ধু হচ্ছে সব থেকে কাছের মানুষ এখানকার সমস্ত মানুষকে তিনি কাছের মানুষ বলে পরিচয় দিয়েছে এটাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান।শুধু তাই নয় কৃষক পরিবারের যদি কেউ ঊনিশ থেকে আটান্ন বছরের মধ্যে মারা যায় তাদের জন্য কৃষক বন্ধু প্রকল্প যে প্রকল্পে একজন কৃষকের পরিবারকে দু লক্ষ টাকা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়।গোটা ভারতবর্ষে আজকে যে সরকার চালাচ্ছে যারা তারা যেভাবে কৃষকদের অপমান করছে শুধু অপমান না তাদের জন্য কিছুই করছে না এবং মিথ্যে কথা বলছে আমাদের তাদের বিরুদ্ধে লড়াই।এটা চাই সবাই মিলে আসুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে আবার জয়লাভ করিয়ে চতুর্থ বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করি এটাই আমাদের আজকের শপথ।
।এই পথ সভায় পা মিলিয়ে ছিলেন জয়নগর বিধান সভার বিদায়ী বিধায়ক তথা এবারের মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ ধন্য ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর স্নেহধন্য প্রার্থী বিশিষ্ট শিক্ষক বিশ্বনাথ দাস, জয়নগর এক নম্বর ব্লক তৃনমুল কংগ্রেসের সভাপতি তথা বিশিষ্ট সমাজ সেবিক তুহিন বিশ্বাস, জয়নগর এক নম্বর ব্লক সমিতির সভাপতি ঋতুপর্ণা বিশ্বাস, জয়নগর একনম্বর ব্লক তৃনমুল কংগ্রেসের যুবসভাপতি সাম্মিম আহমেদ ঢালী, জয়নগর পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমির কর্মধক্ষ্য আব্দুল শুকুর মোল্লা, দক্ষিণ বারাসত অঞ্চলের উপপ্রধান গিয়াস উদ্দিন, সহ দক্ষিণ বারাসত অঞ্চলের সমস্থ সদস্য, সদস্যা বিশিষ্ট নেতা নেতৃত্বেরা ও গুরুজন ব্যাক্তিগত