গ্রাম-বাংলার ‘ধুলদিয়া নতুন বাজার সাপ্তাহিক হাট’ বাজার।

মোঃ সোহেল মিয়া
বিশেষ প্রতিনিধি।
বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে সাপ্তাহিক হাট একটি শাক-সবজি, খাবার-দাবার, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। ঠিক তেমন একটি হাট কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী ধূলদিয়া নতুন বাজার বুকেই বসে এই হাট
কিশোরগঞ্জ জেলা কটিয়াদী উপজেলার ধূলদিয়া বসে এই হাট। একে অনেকে চিনে ‘ধূলদিয়া নতুন বাজার হাট’ নামে। তবে স্থানীয়রা একে ‘ধূলদিয়া হাট’ বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তাদের দাবি, এই হাটের বয়স ১০০থেকে ১২০ বছর। প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার সোমবার দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্থায়ী হয় এই হাট। দুপুর থেকেই কটিয়াদী আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নৌকায় করে নানান জিনিস নিয়ে সিংহ নদী দিয়ে ধূলদিয়া ব্রিজের পাড়ে হাজির হন।
হাটে এমন কিছু নেই যা পাওয়া যায়না। কটিয়াদী, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ সদর, করগাঁও, পুলেরঘাট এলাকার মানুষের কাছে খুব জনপ্রিয় এই হাট। রাস্তার দু’পাশে, খালি জায়গায় এখানে-সেখানে সবুজ সবজি, টাটকা মাছ ও রঙিন পণ্যের সমাহার। বাঁশ ও শুঁটকির জন্য এই হাটের বেশ সুনাম আছে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসই পাওয়া যায় এখানে। কেউ নিয়ে আসেন নিজ বাগানের সবজি, । রাস্তার পাশে যেখানেই একটু খালি স্থান পাওয়া যায় সেখানেই এসব ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান খুলে বসেন।
শুধু যে কাঁচামাল বিক্রি হয় এই হাটে এমন না। কিশোরগঞ্জের নামীদামী মার্কেটের কাপড় বিক্রেতারাও এখানে তাদের মালামাল নিয়ে হাজির হন। বর্তমানে হাটে শাকসবজি ও অন্যান্য জিনিসের তুলনায় কাপড়ের দোকানই বেশি চোখে পড়ে। এখানে আগে গরুর ব্যবসা ভালোই হতো। আগে খোলা মাঠে গরুর হাট বসতো।এখন মাঠ নেই,।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ বাদল মিয়া প্রতিবেদন কে জানান আগে এখানে গরুর ব্যবসা ভালোই হতো। এখন মাঠ নেই, প্রতি সাপ্তাহিক সোমবারে গরুর বাজার জমে উঠতো কিন্তু অল্প যায়গার কারনে আমরা গরুর ব্যবসা করতে পারি না। সংশ্লিষ্টদের কাছে আমাদের একটাই দাবী দ্রুত গরুর মাঠটি একটি নির্দিষ্ট জায়গায় করার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করি।