আমাদের সবাইকে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে প্রচারণা পরিচালনা করতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ রাখতে আচরণবিধি অনুসরণ করা সকল প্রার্থী, রাজনৈতিক দল, সমর্থক ও সাধারণ নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক।
নির্বাচনী প্রচারণার সময় কোনো ধরনের সহিংসতা, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক উসকানি, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার কিংবা ভোটারদের প্রভাবিত করার অপচেষ্টা করা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রচারণা পরিচালনা করা এবং ভোটারদের সঠিক তথ্য দিয়ে সচেতন করা আমাদের নাগরিক দায়িত্ব।
এছাড়া নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। তারা প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। শিক্ষকদের পেশাগত সততা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার কারণে নির্বাচন পরিচালনায় তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা প্রত্যাশা করি, সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা, শিক্ষক ও প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা আইন ও আচরণবিধির প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে গণতন্ত্রের স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ করবেন।
মো: জাহিদ হাসান
গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ