আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে লালমনিরহাট-৩ আসনে নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠেছে পরিবেশ। প্রার্থীরা তীব্র করছে প্রচার প্রচারণা।

এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,০৭৯৭০ জন।
এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১,৫৪, ১৬৭ জন,
নারী ভোটার ১,৫৩,৮০১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ২ জন।

নির্বাচনি প্রচার শুরু করার পর থেকে গ্রামগঞ্জ, হাটবাজার সবখানেই বিএনপির নেতাকর্মীদের তৎপরতা চোখে পড়ছে। সদর উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের সমন্বয়ে ওয়ার্ড কমিটি করে তারা প্রতিদিন তারেক রহমানের দেওয়া নির্বাচনি অঙ্গীকার কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও পোস্টার নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। বিভিন্ন কৌশলে ভোটারদের কাছে ভোট চাচ্ছেন। এতে অন্যান্য প্রার্থীর তুলনায় বিএনপির প্রার্থী প্রচারণায় ব্যাপক এগিয়ে আছেন।

এ আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজসেবক, রংপুর বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি আসাদুল হাবিব দুলু দিন-রাত তার নির্বাচনি এলাকায় প্রচারণা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় এখন সরব এই এলাকা। নির্বাচনি এলাকায় প্রার্থী নিজে এবং তার কর্মী-সমর্থকরা দিন-রাত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে এলাকায় একটা ব্যাপক সাড়া মিলছে। ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

বিএনপির প্রার্থী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজ করে যাচ্ছি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আমি দলীয় নেতা কর্মীদেরকে সাথে নিয়ে প্রতিটি ভোটারের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি এবং বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারেক রহমানের দেওয়া নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরছি। তাতে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।’

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন প্রায় ১৭ বছর থেকে থেকে এই আসনের মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এমপি নির্বাচিত হলে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, ব্রিজসহ উন্নয়ন কর্মকান্ড ও এলাকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে এ এলাকার জনগণকে সাথে নিয়ে যাবতীয় উন্নয়ন করে দুই উপজেলাকে মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’

লালমনিরহাট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বড়বাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা লিমন বলেন, ‘ অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু মহোদয় বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালনে মাঠে ছিলেন। তিনি প্রতিটি আন্দোলনে নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন। পাশাপাশি প্রয়াত সাবেক দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে প্রথম সারিতেই ছিলেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশ বাস্তবায়নে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনসহ প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন সক্রিয়। পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি হিসেবে তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। বর্তমানে ভোটারগণের মাঝেও জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে মাঠে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।’

লালমনিরহাট জেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব মফিদুল ইসলাম মিন্টু বলেন, ” লালমনিরহাট সদরের মা- মাটির সন্তান আসাদুল হাবিব দুলু মহোদয়ের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী।
এমন ভালো- মহৎ মানুষ বাংলাদেশে কম আছে।”

বড়বাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সেক্রেটারি আল আমিন বুলু বলেন, ” বাংলাদেশে আসাদুল হাবিব দুলু একটাই। শেখ হাসিনার সময়ে বড় বড় নেতাকে জেলে নিয়ে গেলেও আসাদুল হাবিব দুলুকে জেলে নিতে পারে নাই।
কারণ এলাকার মানুষ তাঁকে জীবন দিয়ে ভালোবাসে।
এবার বিএনপি সরকার গঠনে করবে এবং তিনি মন্ত্রী হয়ে লালমনিরহাটকে আলোকিত হিসেবে গড়ে তুলবেন।”

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ